পুনবীমা

আজকের আলোচনার বিষয় “পুনবীমা ” যা সামাজিক ও অন্যান্য ধরনের বীমাসমূহ অধ্যায়ের অন্তর্ভুক্ত।

পুনবীমা

পুনবীমা

 

কোন বীমাকৃত বিষয়বস্তু বা সম্পত্তি যদি বীমাকারী কর্তৃক পুনরায় বীমাকৃত হয়, তবে তাকে পুনর্বীমা বা এ-ইনসতরঅনচএ বলা হয়। অর্থাৎ, বীমাকারী কোন বিষয়বস্তুর ঝুঁকি গ্রহণ করার পর যদি এটা উপলব্ধি করেন যে, তার পক্ষে সম্পূর্ণ ঝুঁকি একা বহন করা সম্ভব নয়, তাহলে তিনি অন্য বীমাকারীর সাথে নিজে বীমাগ্রহীতা হয়ে ঝুঁকি হ্রাসের উদ্দেশ্যে বীমার আংশিক মূল্যের জন্যে চুক্তিতে আবদ্ধ হলে,তাকে পুনবীমা বলা হয়।

M.N. Mishra বলেন— “Re-insurance is an arrangement whereby an original insurer who has insured a risk, insures a part of that risk again with another insurer.”

বীমাকৃত জীবন বা সম্পত্তির ক্ষতি হলে মূল বা আদি বীমাকারী ( Original Insurer) রীমাগ্রহীতাকে পূর্ণ মূল্যের ক্ষতিপূরণ প্রদান করেন। তিনি আবার পুনর্বীমাকারীর কাছ থেকে আংশিক মূল্যের ক্ষতিপূরণ (যতটুকু অংশের ঝুঁকি হস্তান্তর করা হয়েছে ততটুকুই ক্ষতিপূরণ ) আদায় করতে পারেন।

 

পুনবীমার ক্ষেত্রে বীমাকারী নিজে বীমাগ্রহীতা হয়ে ঝুঁকির অংশবিশেষ হস্তান্তর করে থাকেন। এক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো এই যে, মূল বীমাগ্রহীতার সাথে পুনর্বীমাকারীর কোন সম্পর্ক থাকে না। মূল বীমাগ্রহীতা ও আদি বীমাকারী (Original Insurer) -র মধ্যে যে চুক্তি হয় সেই চুক্তির শর্তাবলী দ্বারা পুনর্বীমার চুক্তি নিয়ন্ত্রিত হয়। কোনকারণে যদি পূর্ব চুক্তি রদ হয়, তাহলে পুনর্বীমার চুক্তিও বাতিল বলে গণ্য হবে।

উদাহরণ : বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন একটি জাহাজের জন্যে ‘ক’ বীমা কোম্পানীর কাছ থেকে ১ কোটি টাকার বীমা গ্রহণ করল। ‘ক’ কোম্পানী তার বীমাকৃত ঝুঁকির অর্থাংশ যা কোম্পানীর কাছে হস্তান্তর বা স্থানান্তর করল। এক্ষেত্রে “খ” বীমা কোম্পানী পুনর্বীমাকারী হিসেবে ৫০ লক্ষ টাকার জন্যে দায়ী থাকবে এবং বীমা র্কিস্তির অর্থাংশ পাবে।

 

পুনবীমা

Leave a Comment