২০২৫ সালের প্রথম ৯ মাসে উজবেকিস্তান–র বীমা শিল্পে অভূতপূর্ব বৃদ্ধি হয়েছে। বেসরকারি বিশ্লেষক ও সরকারি অনুমোদিত National Agency for Prospective Projects–র (থেকে) পাওয়া তথ্যমতে, মোট প্রিমিয়াম রাজস্ব ৩৯% বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে প্রায় ৯.৮ ট্রিলিয়ন উজবেকি সোম (প্রায় $৮২৩ মিলিয়ন)।
তথ্যগুলোর সংক্ষিপ্ত চিত্র নিচে দেওয়া হলো:
| সূচক | ২০২৫-এর প্রথম ৯ মাস | বছরের-on-ইয়ার বৃদ্ধি |
|---|---|---|
| মোট প্রিমিয়াম | ৯.৮ ট্রিলিয়ন উজবেকি সোম | +৩৯% |
| নন‑লাইফ বীমা (ব্যবসা) | মোটের ≈ ৯৪% | — |
| শীর্ষ বীমা কোম্পানি | Apex Insurance AJ — ২.৮ ট্রিলিয়ন উজবেকি সোম | — |
নন‑লাইফ ( Non‑life ) বীমাই প্রায় পুরোটাই নিয়েছে — অর্থাৎ গাড়ি, সম্পত্তি, দায়বদ্ধতা, চিকিৎসা, দুর্ঘটনা ইত্যাদি বীমা — যা বোঝায় যে সাধারণ মানুষ এবং ব্যবসায়ীরা সক্রিয়ভাবে বীমার দিকে ঝুঁকছেন।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এর পেছনে রয়েছে বেশ কয়েকটি কারণ। প্রথমত, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশে অর্থনৈতিক উন্নতি এবং মধ্যবিত্ত‑ভূমিকা বাড়েছে — ফলে মানুষের ক্রয় ক্ষমতা ও বীমার প্রতি সচেতনতা বেড়েছে। দ্বিতীয়ত, নতুন‑নতুন আইন ও নিয়মনীতির প্রবর্তন বীমা খাতকে উৎসাহিত করেছে; বিশেষ করে সম্পত্তি ও ব্যবসা‑সম্পর্কিত ঝুকি মোকাবেলায় বীমার গুরুত্ব বেড়েছে।
এ ছাড়াও, বীমা কোম্পানিগুলোর প্রতিযোগিতা ও নতুন পণ্য (যেমন স্বাস্থ্য বীমা, গাড়ি বীমা, ঝুঁকি মোকাবেলার প্যাকেজ) বাজারে আসায়, গ্রাহকরা সহজে বীমা গ্রহণ করতে পারছেন। “নন‑লাইফ” অংশের প্রাধান্য নির্দেশ করে যে, মানুষ এখন শুধুই জীবন বীমা নয়, বরং দৈনন্দিন জীবনের ঝুকি কমাতে বীমাকে বেছে নিচ্ছে।
যদিও ২০২৫ সালের পুরো বছর এখনও শেষ হয়নি, তবে যদি সাম্প্রিক প্রবণতা বজায় থাকে, তাহলে পুরো বছরের জন্য বাজেটে চোখ ধাঁধানো একটি রেকর্ড সম্ভব। এটি শুধু বীমা খাত নয় — পুরো অর্থনীতির জন্যই ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া হিসেবে দেখা যেতে পারে।
