বীমার কার্যাবলী – নিয়ে আজকের আলোচনা। এই পাঠটি “বীমা ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা” বিষয়ের ” বীমার মৌলিক ও সাধারণ আধেয়সমূহ ” বিভাগের একটি গুরুত্বপূর্ণ পাঠ।
Table of Contents
বীমার কার্যাবলী

বীমার মৌলিক ও সাধারণ আধেয়সমূহ, বীমার কার্যাবলী সম্পর্কে গ্রন্থকারগণ একই ধারায় বর্ণনা প্রদান করেননি, বিভিন্নজন বিভিন্ন দৃষ্টিকোন থেকে কার্যাবলী বর্ণনা করেছেন। গ্রন্থকার এম.এন. মিশ্র কার্যাবলীকে প্রাথমিক ও পরবর্তী এ দু’টি পর্যায়ে বিন্যস্ত করেছেন।
এ. এইচ. চৌধুরী সাধারণ কার্যাবলী (General Functions) ও বীমার কয়েকটি প্রধান প্রধান শ্রেণী ভিত্তিক বিশেষ কার্যাবলী ( Specific Functions ) – শিরোনামে বীমার কার্যাবলীকে শ্রেণী বিভাগ দেখিয়েছেন। কেউ কেউ সাধারণভাবে বর্ণনা করেছেন ; *আবার কেউ কেউ এ প্রসঙ্গেই যাননি। তবে, সাধারণ ও বিশেষ – এ মূল দুটি ধারায় উপ-বিভক্ত করে বর্ণনা করাই নবীশদের জন্যে সহায়ক হবে বিধায় তন্নিরীখে বীমার কার্যাবলী সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত বর্ণনা প্রদান করা হলো।
১.সাধারণ কার্যাবলী [ General Functions ]
যেসব কার্য সাধারণভাবে প্রায় সব ধরনের বীমা ব্যবস্থায়ই সম্পাদিত হয়ে থাকে, সেগুলিকেই সাধারণ কার্যাবলীর শ্রেণীভূক্ত করা হয়েছে। এ ধরনের কার্যাবলী সম্পর্কে নিম্নে বর্ণনা প্রদান করা হলোঃ
ক. বীমা নিশ্চয়তা প্রদান করে (Insurance provides certainty) :
বীমা এমন একটি ব্যবস্থা যার মাধ্যমে বীমাকারী বীমাগ্রহীতার কাছ থেকে নির্দিষ্ট হারে ও নিয়মে কিস্তি বা সেলামী গ্রহণের প্রতিদানে বীমাকৃত জীবনের ক্ষেত্রে বিদ্যমাণ অনিশ্চয়তার বিরুদ্ধে আর্থিক নিশ্চয়তা ও সম্পদ-সম্পত্তির ক্ষেত্রে সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি পুরণ করে দেয়ার নিশ্চয়তা প্রদান করে থাকেন। অর্থাৎ কেও তার নিজের জীবনের উপর অথবা পিতা-মাত্রা, পরী, পুত্র-কন্যা প্রভিতি একান্ত নিকট আত্মীয় বা অংশীদারি কারবারে অংশীদারগণ পরস্পরের বা একে অন্যের বা সকলে মিলে সকলের অথবা শ্রমিকদের জীবনের উপর (অর্থাৎ,আর্থিক স্বার্থ বিদ্যমান –
এমন অন্য কোন বেক্তির জীবনের উপর) বীমা করলে মেয়াদান্তে/মৃত্যুতে / প্রয়োজনে / চুক্তি মোতাবেক অথবা যে উদ্দেশ্যে যা কারণে বীমা করা হয়েছে তেমন ঘটনা সংঘটনের প্রেক্ষিতে বীমাকারী দাবী পুরণের আর্থিক নিশ্চয়তা প্রদানের প্রতিশ্রুতি দিয়ে থাকেন। আর বীমাকৃত সম্পত্তির জন্য বীমাগ্রহীতা যে সেলামী প্রদান করে থাকেন, তার প্রতিদানে যে দুর্ঘটনার বিরুদ্ধে বীমাগ্রহণ করা হয়েছে তা সংঘটিত হলে তদজনিত কোন ক্ষয়ক্ষতি পূরণ করে দেয়ার জন্যে বীমাকারী প্রতিশ্রুতি তথা নিশ্চয়তা প্রদান করে থাকেন।
খ. ইহা প্রতিরক্ষা বিধান করে (It provides protection) :
জীবনের ক্ষেত্রে যেহেতু ক্ষতি নিরূপণ করা মানুষের স্বাভাবিক সাধ্যায়রে নয়, সে কারণেই জীবন বীমার ক্ষেত্রে সম্যক প্রতিরক্ষা সম্ভব নয়। আর, এই জন্যেই প্রতিরক্ষার এ ধারাটি বরং অন্যান্য বীমার ক্ষেত্রে সমধিক প্রযোজ্য। বীমাকৃত সম্পদ সম্পত্তি বিনষ্ট হলে বা ক্ষতিগ্রস্ত হলে, তার ক্ষতিপুরণ করে দেয়ার জন্যেই বীমাকারী দায়বদ্ধ হন। বীমা কোন দুর্ঘটনা রোধ করতে না পারলেও সে দুর্ঘটনাজনিত আর্থিক ক্ষতির বিপরীতে প্রতিরক্ষা বিধান করে থাকে। এমনকি, জীবনের ক্ষতিপূরণ করতে না পারলেও দাবী পুরণের মাধ্যমে আর্থিক উপশম বিধান করে থাকে যা অন্ততঃ বিপদের সাগরে অস্তিত্ব রক্ষার জন্যে হতে পারে এক অত্যন্ত উপকারী অবলম্বন।
গ. বীমা নিরাপত্তা বিধান করে Insurance provides security) :
জীবনে চলার পথে প্রতিনিয়ত থাকে যদি এক অন্তহীন দুর্ভাবনা এবং অনিশ্চয়তার ভীতি ও শঙ্কা, তাহলে জীবনে সঞ্চারিত হয় হতাশা ও নিস্পৃহতা যা কর্মক্ষমতাকে অকল্পনীয়ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ও হ্রাস করে দেয়। জীবনকে গ্রাস করে অভাব আর দুর্গতির অন্ধকার। তাই, আধুনিক বিশ্বে বীমা মানুষের মনে সঞ্চার করেছে নিরাপত্তাবোধ যার মূল্য অনেক। অর্থাৎ, বীমা মানুষের আর্থিক অনিশ্চয়তা তথা নিরাপত্তাহীনতার বিরুদ্ধে নিরাপত্তা বিধান করে থাকে।
ঘ. ইহা ক্ষতি প্রতিরোধ করে (It prevents losses ) :
মানুষ নিজের জ্ঞান-বুদ্ধি, অন্যের উপদেশ এবং চিকিৎসকের পরামর্শ মোতাবেক সতর্কতার সাথে জীবন পরিচালনা করতে পারলে যেমন অনেক রোগ-ব্যাধি ও অকাল মৃত্যুর হাত থেকে দূরে থাকতে পারে; তেমনি, বীমা জরিপকারী, পরিদর্শন বিভাগ বীমাকারীর পূর্ব-সতর্কতামূলক পরামর্শ মোতাবেক স্বাস্থ্য সংগঠন, অগ্নি নির্বাপক সংগঠন এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান-এর ভূমিকা, কার্যক্রম ও সতকর্তা অবলম্বনের মাধ্যমে সম্ভাব্য ক্ষতি প্রতিরোধ বা হ্রাস করা সম্ভব হয়ে থাকে যা প্রকারান্তরে আরও সঞ্চয় এবং উৎসাহ সৃষ্টি করে থাকে।
ঙ. বীমা ঝুঁকি ও ক্ষতি বন্টন করে (Insurance distributes risk and losses):
বীমার একটি অন্যতম প্রধান কাজই হচ্ছে কোন একজন, বীমাগ্রহীতার ঝুঁকি তথা ঝুঁকিজনিত ক্ষতিকে, যেসব বীমাগ্রহীতা ঐ ঝুঁকি ও ক্ষতির আওতাধীন থাকেন, তাদের উপর সুষমভাবে বন্টন করে দেয়া। ঝুঁকি যেমন অনিশ্চিত, তেমনি ঝুঁকি থেকে সম্ভাব্য ক্ষতিও থাকে অনিশ্চিত। এই অনিশ্চিত ক্ষতির সুষম বন্টন বলা হয় এই কারণে যে – প্রত্যেক বীমাগ্রহীতাই যতটা ঝুঁকি নিয়ে আসছেন, সংশ্লিষ্ট তহবিলে তিনি বীমা কিস্তি বা সেলামী হিসেবে ঠিক তদনুযায়ী নির্ধারিত অর্থ প্রদান করে থাকেন; অন্যথায়, বীমাকারী কর্তৃক প্রতিরক্ষা বিধানের কোন প্রতিশ্রুতি দেয়া হয় না।
[ উক্ত বীমাকিস্তি বা প্রিমিয়াম নির্ধারিত হয় বীমাকারী কর্তৃক এবং বীমাকারীগণ ঝুঁকির গুণগত (Qualitative) এবং পরিমাণগত (Quantitative) বিশ্লেষণের মাধ্যমেই প্রিমিয়াম নির্ধারণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে থাকেন। কেননা, বীমা এমন একটি স্বতন্ত্র ও ভিন্ন বৈশিষ্ট্যের কারবারী কর্মকাণ্ড যার জন্যে বিশেষ এবং অভিষ্ট পেশাগত নৈপুণ্য, জ্ঞান ও অভিজ্ঞতার প্রয়োজন হয়। অর্থাৎ, ঝুঁকি নিরূপণ এবং সংশ্লিষ্টদের সাধারণ তহবিলে সুষম অংশগ্রহণ বা তাদের অর্থ প্রদানের ব্যাপারে প্রকৃতপক্ষে বীমাকারী একাই ভূমিকা পালন করে থাকেন।
ঝুঁকি মূল্যায়ন প্রক্রিয়া অনুসরণের মাধ্যমেই বীমাকারী প্রকৃতপক্ষে উত্তম ঝুঁকি Good Risk) ও অধম ঝুঁকি (Bad Risk) সমীকরণের মাধ্যমে অনেকের কাধে তা সুষমভাবে (Equitably) কটন করে দিয়ে থাকেন। আর, এই বন্টন করার নৈপুণ্য বীমাকারীগণ অর্জন করে থাকেন বছরের পর বছর ধরে এ বিষয়ে কাজ করা ও অভিজ্ঞতা লাভের মাধ্যমে এবং পরিসংখ্যান বিজ্ঞানের (Statistical Science) প্রয়োগের মাধ্যমেই তাদের সে জ্ঞান ও দক্ষতা হয় আরও পরিশীলিত ও পরিমার্জিত। সে যাই হোক, ক্ষতি যখনই সংঘটিত হয়, বীমাকারীগণ কর্তৃক তখনই তা পুরণ করে দেয়ার নিশ্চয়তা প্রদান করা হয়।
কেননা, ঐ ক্ষতি পূরণ করে দেয়ার উদ্দেশ্যেইতো বীমাগ্রহীতাদের প্রদত্ত অর্থ দিয়ে তহবিল সৃষ্টি করা হয়ে থাকে।
চ. বীমা বিনিয়োগের জন্য মূলধন তথা তহবিল সৃষ্টি করে (Insurance provides capital or fund for Investmen):
বীমাকারী বীমাগ্রহীতাদের কাছ থেকে কিস্তি বা সেলামী হিসেবে যে পরিমান অর্থ পেয়ে থাকেন তার সবটাই দাবী পূরণের জন্যে অবিরামভাবে প্রয়োজন হয় না। বরং, তা থেকে একটি বেশ বড় ধরনের তহবিল তথা মূলধন সৃষ্টি হয় যা বিভিন্ন আর্থিক বা অর্থলগ্নী প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করা যেতে পারে এবং বীমা প্রতিষ্ঠানসমূহ এ অর্থ বিনিয়োগ করেই তার ব্যবসায়ী ভিত্তি নির্মাণ ও কার্যক্রম লাভজনকভাবে পরিচালনা করতে থাকে।
বীমাকারীগণ সাধারণতঃ সরকারী বস্তু ও সিকিউরিটি (ঋণপত্র), কোম্পানীর শৈয়ার, ঋণপত্র (Debentures) ইত্যাদি ক্রয় করে এবং বন্ধকী ঋণ ও শিল্প-গুণ প্রদানের মাধ্যমে বিনিয়োগ করে থাকেন। প্রসঙ্গতঃ উল্লেখ্য যে, সাধারণ বীমা স্বল্প মেয়াদী বিনিয়োগ করতে পারে। পক্ষান্তরে, জীবন বীমা স্বাভাবিক কারণেই দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগ করতে সক্ষম হয়।
ছ. ইহা লোকসান হ্রাসকরণে সহায়তা করে (It serves as an ald to reduce losses) :
বীমাকারীগণ ঝুঁকি নিরূপণ পদ্ধতি অনুসরণের মাধ্যমে সতর্কতা ও যত্নশীলতাকে উৎসাহিত করে। খারাপ বৈশিষ্ট্য ও উপসর্গের জন্যে কিস্তি বৃদ্ধি এবং ভালো বৈশিষ্ট্য ও উপসর্গের জন্যে কিস্তি হ্রাসকৃত বা কম করা হয় যা প্রকারান্তরে বীমাগ্রহীতাদের ঝুঁকির পরিমাণ ও মাত্রা কমানোর জন্যে সচেষ্ট করে তোলে এবং এ প্রবণতাই ক্রমাগত ক্ষতি বা লোকসানের মাত্রাকেও হ্রাস করতে সহায়ক হয়।
জ. কাররার ও কারবারীদের সহায়তা করে (Helps the business and the businessmen ) :
একটু বড় ধরনের কারবারকেই অধিকতর আর্থিক ঝুঁকি বহন করতে হয়, যা অনেক সময় কারবারীদের পক্ষে হতো এক দুঃসহ বোঝা, যদি তা হালকা করার জন্যে আধুনিক বীমা ব্যবস্থার উদ্ভব না। হতো। বীমা ব্যবস্থার প্রসারপূর্বকালে কারবারীদের একটি বিরাট পরিমাণের অর্থ রেখে দিতে হতো অপ্রত্যাশিত বিপদ মোকাবেলার জন্যে। পক্ষান্তরে, আজ বীমা ব্যবস্থা উদ্ভবের ফলে সেই অর্থই অধিক সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হচ্ছে যা কারবার ও কারবারীদের জন্যে হয়েছে অশেষ সহায়ক। এ ছাড়া, বীমাদাবীর দ্রুত নিষ্পত্তির মাধ্যমে বীমাকারীগণ কারবারের পুনস্থাপন ও পুনর্গঠনকে করে ত্বরান্বিত কারবারের গতিকে রাখে অব্যাহত এবং সম্প্রসারণ ও উন্নয়নকে করে বেগবান ও নিশ্চিত।

ঝ. অদৃশ্য রপ্তানী (Invisible Export) :
আধুনিক যুগে দেশের বাইরে প্রতিষ্ঠান ও সেবা সম্প্রসারণের মাধ্যমে এক অদৃশ্য রপ্তানী কর্মকাণ্ড সৃষ্টি ও পরিচালনা করে চলেছে বীমা প্রতিষ্ঠানসমূহ। অর্থাৎ, বিদেশে প্রত্যক্ষ বীমা সেবাদান করে বা বিদেশ থেকে পুনঃ বীমা গ্রহণের মাধ্যমে বীমা এই অদৃশ্য রপ্তানীকার্য পরিচালনা করছে যা দেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে নিঃসন্দেহে অনুকূল ভারসাম্য আনয়নে সাহায্য করে থাকে।
ঞ. ইহা দক্ষতা বৃদ্ধি করে (It improves efficiency) :
ব্যাপারে ব্যাখ্যার কোন অবকাশ রাখে না যে – একজন দুর্ভাবনা ও হতাশাগ্রস্ত মানুষের কর্মক্ষমতা দারুণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়; পক্ষান্তরে, একজন দুশ্চিন্তাহীন আনন্দোচ্ছল মানুষ অফুরন্ত উদ্দীপনা ও শক্তিতে সর্বাধিক নৈপুণ্য ও দক্ষতায় অনেক বেশী কার্য সম্পন্ন করতে পারে। আবার, সম্পদ-সম্পত্তি বিনষ্ট হলে অপরিসীম দুঃখ-দুর্দশার বাত্যাপ্রবাহে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সমস্ত আশা-আকাঙ্খার আলো নিভে যেতে চায় ; এসব অনিশ্চয়তার বিরুদ্ধেইতো বীমা ভূমিকা পালন করছে। সুতরাং, বীমার অবদানেই আজ মানুষ হচ্ছে দুশ্চিন্তামুক্ত ও আশান্বিত। ফলতঃ অর্জন করতে সক্ষম হচ্ছে উৎকর্ষিত নৈপুণ্য ও কর্মদক্ষতা। অর্থাৎ, বীমা মানুষের দক্ষতা বৃদ্ধি করছে।
ট. ইহা ব্যক্তিগত আর্থিক উন্নতি নিশ্চিত করে (It ensures the personal financial betterment) :
বীমা মানুষের জীবন ও সম্পত্তির ক্ষেত্রে বিদ্যমান অনিশ্চয়তার বিরুদ্ধে নিশ্চয়তা বিধান করে তথা ক্ষয়ক্ষতি পূরণ করে দেয়ার মাধ্যমে ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক উন্নতি, অগ্রগতি ও আর্থিক সংগতি নিশ্চিত করে থাকে।
ঠ. দেশের সামগ্রিক আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করে। (Expedites the overall socio-economic development of the country) :
ব্যষ্টি থেকেই ইয় সমষ্টি গঠিত। ব্যক্তির উন্নতিই জাতির উন্নতিতে যুক্ত হয়। আবার, একাধারে বীমা মানুষের মৃত্যু ও বিপদ-বিপর্যয়ের তথা জীবন জীবিকার অনিশ্চয়তার বিপরীতে নিশ্চয়তা দান এবং সামাজিক সম্পদ-সম্পত্তির বিনাশ বা ধ্বংসজনিত ক্ষয়ক্ষতি পূরণ করে দেয়ার মাধ্যমে দেশের সামগ্রিক আর্থ সামজিক উন্নতি ও সমৃদ্ধি ত্বরান্বিত ও সংহত করে থাকে।
