ব্যক্তিগত দুর্ঘটনা বীমার উৎপত্তি 

আজকের আলোচনার বিষয় “ব্যক্তিগত দুর্ঘটনা বীমার উৎপত্তি ” যা সামাজিক ও অন্যান্য ধরনের বীমাসমূহ অধ্যায়ের অন্তর্ভুক্ত।

ব্যক্তিগত দুর্ঘটনা বীমার উৎপত্তি 

 

ব্যক্তিগত দুর্ঘটনা বীমার উৎপত্তি 

 

আধুনিক সভ্যতার প্রারম্ভিক কেন্দ্রস্থল ইংল্যাণ্ডেই প্রকৃতপক্ষে দুর্ঘটনাবীমা তথা ব্যক্তিগত দুর্ঘটনা বীমার উৎপত্তি ঘটে। ইংল্যাণ্ডে ঊনবিংশ শতকের প্রথম ভাগে ঘন ঘন রেল দুর্ঘটনা ঘটছিল যার ফলশ্রুতিতেই মূলতঃ দুর্ঘটনা বীমার উৎপত্তি। ১৮৪৮ সালে ইংল্যাণ্ডে দুর্ঘটনা বীমা করার জন্যে The Railways Passengers Assurance Co.’ নামে একটি বীমা প্রতিষ্ঠান স্থাপিত হয়।

রেলগাড়ীর ভাড়া আদায়কারীগণই বীমা কোম্পানীর প্রতিনিধি হিসেবে যাত্রীদের কাছ থেকে ভাড়ার সাথে নির্দিষ্ট হারে বীমার চার্জ আদায় করতেন। রেল দুর্ঘটনায় মৃত্যু হলে প্রথম শ্রেণীর যাত্রী প্রতি ১০০০ পাউণ্ড, দ্বিতীয় শ্রেণীর যাত্রী প্রতি ৫০০ পাউণ্ড এবং তৃতীয় শ্রেনীর যাত্রী প্রতি ২০০ পাউণ্ড হিসেবে পরিশোধ করা হতো। আর, দুর্ঘটনার ফলে অক্ষম হয়ে পড়লেও ক্ষতিপূরণ প্রদান করা হতো।

 

যদিও এ ব্যাপারে দূরত্ব কোন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল না। পরবর্তীতে ১৮৬৪ সালে পার্লামেন্টে আইন পাশ করে রেল যাত্রীদের দুর্ঘটনার কারণে পূর্ণ অক্ষমতায় যাত্রীপ্রতি ১০০০, ৫০০ ও ২০০ পাউণ্ড।বীমাকৃত অর্থের জন্যে সাপ্তাহিক যথাক্রমে ৬, ৩ ও ১ পাউণ্ড ক্ষতিপূরণ দেয়া হতো এবং আংশিক অক্ষমতার জন্যে উপরোক্ত পরিমাণের এক চতুর্থাংশ প্রদান করা হতো। তবে, উপরোক্ত সকল ক্ষেত্রেই ২৬ সপ্তাহের বেশী উক্ত সুবিধা দেয়া হতো না।

 

ব্যক্তিগত দুর্ঘটনা বীমার উৎপত্তি 

 

এরপর থেকে ক্রমাগত পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে দুর্ঘটনা বীমার প্রচলন হতে থাকে এবং ক্রমাগত জনপ্রিয়তা লাভ করতে থাকে।

Leave a Comment