এআইইউবি ও প্রোটেক্টিভ লাইফের বীমা সেবা চুক্তি স্বাক্ষর

সম্প্রতি আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ এবং প্রোটেক্টিভ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের মধ্যে একটি সমন্বিত গ্রুপ বীমা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই চুক্তির উদ্দেশ্য হলো বিশ্ববিদ্যালয়ের পলিসি ধারক শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং সংশ্লিষ্ট সদস্যদের জন্য স্বাস্থ্যসেবা ও জীবনবীমা সুবিধা আরও সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী করা।

এই চুক্তির আওতায় প্রোটেক্টিভ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স এআইইউবির পলিসি ধারকদের জন্য একাধিক বীমা সুবিধা প্রদান করবে। এর মধ্যে রয়েছে হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণের ক্ষেত্রে ক্যাশব্যাক সুবিধা, বিভিন্ন ধরনের রোগ নির্ণয় পরীক্ষায় ছাড়, জীবনবীমা সুরক্ষা এবং দুর্ঘটনাজনিত বীমা সুবিধা। এসব সুবিধার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সদস্যরা আর্থিক সুরক্ষা এবং স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে বাড়তি সহায়তা পাবেন।

স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের ডিন ও ট্রেজারার (চলতি দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. তাজুল ইসলাম, প্রো ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মো. আবদুর রহমান, অর্থ বিভাগের পরিচালক মো. খন্দকার সাব্বির কবির। অন্যদিকে প্রোটেক্টিভ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন প্রধান নির্বাহী ডা. কিশোর বিশ্বাস এবং প্রধান অর্থ কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলামসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

চুক্তির মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের আর্থিক নিরাপত্তা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে। একই সঙ্গে বীমা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকেও আধুনিক ও সমন্বিত সেবা প্রদানের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করা হয়।

সুবিধা ও অংশগ্রহণকারীদের সারসংক্ষেপ

বিষয়বিবরণ
চুক্তির পক্ষসমূহআমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ এবং প্রোটেক্টিভ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স
প্রধান সুবিধাহাসপাতালে ক্যাশব্যাক, রোগ নির্ণয় পরীক্ষায় ছাড়, জীবনবীমা, দুর্ঘটনা বীমা
উপকারভোগীশিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট সদস্যরা
লক্ষ্যসাশ্রয়ী স্বাস্থ্যসেবা ও আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা
স্বাক্ষর অনুষ্ঠানউভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত

এই চুক্তি বাস্তবায়নের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সদস্যদের জন্য স্বাস্থ্য ও আর্থিক ঝুঁকি মোকাবিলায় একটি সমন্বিত কাঠামো তৈরি হবে বলে সংশ্লিষ্টরা উল্লেখ করেন। পাশাপাশি শিক্ষার্থী ও কর্মীদের কল্যাণে দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

Leave a Comment