কর্ণফুলী ইন্স্যুরেন্স পিএলসি সাম্প্রতিকভাবে বেস্ট রি-ইন্স্যুরেন্স ক্যাটাগরিতে আইসিসি ৬ষ্ঠ এমার্জিং এশিয়া ইন্স্যুরেন্স অ্যান্ড অ্যাওয়ার্ড ২০২৫ পুরষ্কার অর্জন করেছে। থাইল্যান্ডের ব্যাংককের রেমব্র্যান্ট হোটেলে আয়োজিত জাঁকজমক অনুষ্ঠানে কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা এ. এন. এম. ফজলুল করিম মুন্সি পুরষ্কারটি গ্রহণ করেন। এই অর্জন দেশের ইন্স্যুরেন্স খাতের জন্য এক গৌরবোজ্জ্বল মুহূর্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
পুরষ্কারটি মোট ১৩টি খাতে প্রদান করা হয়, যেখানে বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, ভূটান, শ্রীলংকা ও মায়ানমারের প্রতিষ্ঠানগুলো প্রতিযোগিতা করেছে। কর্ণফুলী ইন্স্যুরেন্সের এই স্বীকৃতি মূলত কোম্পানির দীর্ঘমেয়াদি কার্যক্ষমতা, পুঁজির স্থিতিশীলতা, গ্রাহক সেবার মান এবং পুনঃবীমা (রি-ইন্স্যুরেন্স) ব্যবস্থাপনায় প্রমাণিত দক্ষতার কারণে অর্জিত।
বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশন এই অনুষ্ঠানের এসোসিয়েট পার্টনার হিসেবে যুক্ত ছিল, যা দেশের ইন্স্যুরেন্স খাতকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে পরিচিত করায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের শীর্ষস্থানীয় ইন্স্যুরেন্স প্রতিষ্ঠান এবং খাত বিশেষজ্ঞগণ অংশগ্রহণ করেন।
পুরষ্কারের মাধ্যমে কর্ণফুলী ইন্স্যুরেন্সের আন্তর্জাতিক উপস্থিতি আরও দৃঢ় হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি কেবল দেশের মধ্যে নয়, বরং এশিয়া অঞ্চলে তার পুনঃবীমা এবং ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার সক্ষমতা প্রমাণ করেছে।
নিচের টেবিলে এবারের প্রতিযোগিতার অংশগ্রহণকারী দেশ ও প্রাপ্ত পুরষ্কার সম্পর্কিত সংক্ষিপ্ত বিবরণ দেওয়া হলো:
| ক্রমিক | দেশ | অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠান সংখ্যা | পুরষ্কার ক্যাটাগরি | প্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান |
|---|---|---|---|---|
| ১ | বাংলাদেশ | ৫ | বেস্ট রি-ইন্স্যুরেন্স | কর্ণফুলী ইন্স্যুরেন্স পিএলসি |
| ২ | ভারত | ৪ | লাইফ ইন্স্যুরেন্স এক্সেলেন্স | – |
| ৩ | নেপাল | ৩ | হেলথ ইন্স্যুরেন্স এ্যাচিভমেন্ট | – |
| ৪ | ভূটান | ২ | ইনোভেশন ইন প্রোডাক্টস | – |
| ৫ | শ্রীলংকা | ২ | রিস্ক ম্যানেজমেন্ট এক্সেলেন্স | – |
| ৬ | মায়ানমার | ২ | আউটস্ট্যান্ডিং সার্ভিস | – |
কর্ণফুলী ইন্স্যুরেন্সের এই অর্জন দেশের ইন্স্যুরেন্স খাতের মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি প্রতিষ্ঠানটির আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের পথ সুগম করবে এবং দেশের অর্থনীতির জন্যও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
এছাড়া, কর্ণফুলী ইন্স্যুরেন্স দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত পরিকল্পনার অংশ হিসেবে নতুন প্রযুক্তি ও ডিজিটাল সেবা সম্প্রসারণেও বিনিয়োগ বৃদ্ধি করবে। এর ফলে গ্রাহক সেবা আরও উন্নত হবে এবং পুনঃবীমা ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর হবে।
