সাধারণ চুক্তির উপাদানসমূহ | বীমার মৌলিক ও সাধারণ আধেয়সমূহ | বীমা ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা

সাধারণ চুক্তির উপাদানসমূহ | বীমার মৌলিক ও সাধারণ আধেয়সমূহ,

সাধারণ চুক্তির উপাদানসমূহ | বীমার মৌলিক ও সাধারণ আধেয়সমূহ | বীমা ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা

 

সাধারণ চুক্তির উপাদানসমূহ | বীমার মৌলিক ও সাধারণ আধেয়সমূহ | বীমা ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা

 

১। একাধিক ব্যক্তি বা পক্ষ ( More than one person or party) :

বলা বাহুল্য যে, কোন চুক্তি গঠনের জন্যেই দরকার কমপক্ষে দু’টি পক্ষ। কেননা, একা একা কাজ করা যায় বটে; কিন্তু, কোন চুক্তি গঠন করা যায় না। তবে, শুধু দুজন লোক বা দু’টি পক্ষ একত্রিত হলেই তো আর চুক্তি গঠনের জন্যে সব কিছু শেষ হয়ে যায় না। তার জন্যে দরকার আরও অনেক উপাদান যা ক্রমানুসারে আলোচনা করা হলো।

২। প্রস্তাব ( Offer) :

১৮৭২ সালের চুক্তি আইনের ২ (ক) ধারা মোতাবেক যখন কোন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির কাছে কিছু করা বা করা থেকে বিরত থাকার উদ্দেশ্যে তার সায় পাওয়ার আশায় নিজের ইচ্ছা প্রকাশ করেন, তখন তাকে প্রস্তাব বলা হয়। [” when one person signifies to another his willingness to do or to abstain from doing anything with a view to obtaining the assent of that offer to such act or abstinence, he is said to make a proposal” -Sec.-2(a)]

 

৩।স্বীকৃতি (Acceptance) :

চুক্তি আইনের ২(খ) ধারায় বলা হয়েছে যে যার কাছে কোন প্রস্তাব প্রদত্ত হয়েছে সে প্রস্তাবটিকে কোন পরিবর্তন, সংশোধন, ” সংযোজন বা বিয়োজন ছাড়াই গ্রহণ করলে অথবা প্রস্তাবের প্রতি হুবহু সায় প্রকাশ করলে, তাকে স্বীকৃতি বলা হয়। “When the person to whom the proposal is made. signifies his assent thereto the proposal is said to be accepted Sec. 21b)]। এটি কোন কিছু কথা যা করা থেকে বিরত থাকার উদ্দেশ্যে যুক্তি গঠনের ক্ষেত্রে দ্বিতীয় অপ উপাদান।

৪। সম্মতি (Agreement) :

চুক্তি আইনের ২(৩) ধারায় বলা হয়ে পেরস্পরের মধ্যে প্রতিদান গঠনকারী প্রতিটি প্রতিশ্রুতি বা প্রতিশ্রুতিসমূহের সমৃষ্টিকে সম্মতি বলে (Every promise and every set of promises. forming the consideration for each other is an ngreement )। অন্যকথায়, বলা যায় যে যখম দুই বা ততোধিক পক্ষ কোন কিছু করা বা করা থেকে বিরত থাকার জন্যে একই উদ্দেশ্যে পারস্পরিকভাবে একমত হন বা ঐকমত্যে উপনীত হন অথবা সম্মত হন, তখনই তাদের মধ্যে একটি সম্মতি গঠিত হয় যা যে কোন ধরনের চুক্তির জন্যে অন্যতম অপরিহার্য উপাদান।

 

সাধারণ চুক্তির উপাদানসমূহ | বীমার মৌলিক ও সাধারণ আধেয়সমূহ | বীমা ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা

 

৫। দায়-দায়িত্ব (Obligation ) :

সম্মতি গঠনের ফলে পক্ষসমূহের মধ্যে পারস্পরিক দায়-দায়িত্ব ও আইনগত সম্পর্ক সৃষ্টি হয়ে থাকে। যেমন:- ক ২-এর দোকান থেকে একটি ঘড়ি ক্রয় করার জন্যে যদি পারস্পরিকভাবে সম্মত হয় এবং ক সম্প্রতি মোতাবেক ঘড়ির মূল্য প্রদান করলে খ-এর উপর ঘড়িটি দিয়ে দেয়ার দায়-দায়িত্ব সৃষ্টি হয়। আর খ যদি ক-কে ঘড়িটি দিয়ে দেয়, তাহলে ক-এর উপর ঘড়ির মূল্য প্রদানের দায় দায়িত্ব সৃষ্টি হয়। উল্লেখ্য যে, দায়-দায়িত্ব তথা এক পক্ষ কর্তৃক অপর পক্ষকে দায়বদ্ধ করার আইনগত অধিকার ও সম্পর্ক সৃষ্টি না হলে চুক্তি গঠিত হবে না।

Leave a Comment