ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্সের তিন কোটি বীমা দাবি নিষ্পত্তি

ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স বৃহত্তর ঢাকা এরিয়ায় ৩ কোটি ৭৫ লাখ টাকার বীমা দাবি সফলভাবে পরিশোধ করেছে। শনিবার (২০ ডিসেম্বর) আশুলিয়ার ফ্যান্টাসি কিংডমে অনুষ্ঠিত বর্ষ সমাপনী পরিকল্পনা সভায় কোম্পানির গ্রাহকদের নিকট এই দাবির চেক হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কোম্পানির চেয়ারম্যান তোফাজ্জল হোসেন।

সভায় কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কাজিম উদ্দিন সভাপতিত্ব করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. খসরু চৌধুরী, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আবুল কাশেম, সহকারী ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. খুরশীদ আলম পাটোয়ারী, সহকারী ব্যবস্থাপনা পরিচালক বাহার উদ্দিন মজুমদার, এসইভিপি মো. এনামুল হক, এসভিপি মনির আহমদ এবং তাকাফুল কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী জি এম হেলাল উদ্দিন।

অনুষ্ঠানে বৃহত্তর ঢাকা এরিয়ার প্রায় ৫ হাজার উন্নয়ন কর্মকর্তা অংশ নেন।

চেয়ারম্যান তোফাজ্জল হোসেন তার বক্তব্যে বলেন, “বীমা দেশের অর্থনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বীমার সঞ্চিত অর্থ ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে শিল্প ও বাণিজ্যে বিনিয়োগে ব্যবহৃত হয়। এর ফলে বিপুল কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়। ন্যাশনাল লাইফ এককভাবে দেশের অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে।”

মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কাজিম উদ্দিন বলেন, “গ্রাহকের দাবি পরিশোধে ন্যাশনাল লাইফ সর্বাধিক গুরুত্ব দেয়। আমরা প্রতিমাসে ১০০ কোটি টাকারও বেশি দাবি পরিশোধ করছি। ২০২৫ সালের মধ্যে আমাদের মোট দাবি পরিশোধের পরিমাণ ১,৫০০ কোটি টাকায় পৌঁছাতে পারে।”

সভায় সফল বীমা কর্মীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণও করা হয়। কোম্পানির কর্মকর্তারা আশা প্রকাশ করেন যে, ২০২৫ সালে গ্রাহক সন্তুষ্টি আরও বাড়বে এবং বীমা সেবা আরও সম্প্রসারিত হবে।

নিম্নের টেবিলে ২০২৫ সালের জন্য ন্যাশনাল লাইফের বীমা দাবির পরিশোধ লক্ষ্যমাত্রা এবং বর্তমানে সম্পন্ন বীমা দাবির পরিমাণ দেখানো হলো:

বিভাগপরিমাণ (টাকা)মন্তব্য
বৃহত্তর ঢাকা এরিয়ায় পরিশোধ3,75,00,000২০ ডিসেম্বরের বর্ষ সমাপনী সভায়
মাসিক গড় পরিশোধ1,00,00,00,000মাসিক ভিত্তিতে দাবি পরিশোধ
২০২৫ সালের লক্ষ্যমাত্রা1,500,00,00,000মোট বার্ষিক দাবি পরিশোধের সম্ভাব্য পরিমাণ

নতুন উদ্যোগ এবং বীমা প্রণোদনার মাধ্যমে ন্যাশনাল লাইফ দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও কর্মসংস্থানে ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

Leave a Comment