দক্ষিণ কোরিয়ার বীমা খাত ২০২৬ সালে উল্লেখযোগ্য চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে, যেখানে শিল্প বৃদ্ধির ধীরগতি এবং মুনাফা ও আর্থিক স্থিতিশীলতার উপর চাপ বৃদ্ধি পাবে। কোরিয়া ইন্সুরেন্স নিউজপেপার এবং ইন্সুরেন্স রিসার্চ ইনস্টিটিউটের যৌথ প্রতিবেদন অনুযায়ী, সামগ্রিক প্রিমিয়াম বৃদ্ধি এই বছর সামান্য কমতে পারে।
জীবনবীমা ক্ষেত্রে সঞ্চয়ভিত্তিক পণ্যের চাহিদা কম হওয়ায় বাজার সংকুচিত হতে পারে। অপরদিকে, অজীবনবীমা ক্ষেত্রে (Non-Life Insurance) সামান্য বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে, যা প্রধানত রোগ এবং দুর্ঘটনা বীমা দ্বারা চালিত হবে। দীর্ঘমেয়াদি অজীবনবীমা নীতি বৃদ্ধিও ধীরগতি ধারণ করতে পারে, ফলে insurers–রা অতীতের মতো শীর্ষ লাইনের সম্প্রসারণের উপর নির্ভর করতে পারবে না।
২০২৬ সালের বৃদ্ধির পূর্বাভাস (Forecast)
| সেগমেন্ট | ২০২৬ বৃদ্ধির পূর্বাভাস | পরিবর্তনের মূল চালক |
|---|---|---|
| জীবনবীমা | প্রায় ১% | সঞ্চয়ভিত্তিক পণ্যের চাহিদা কম |
| অজীবনবীমা | প্রায় ৩% | রোগ ও দুর্ঘটনা বীমা |
| সমগ্র শিল্প | ২% পরিসরে কম | দীর্ঘমেয়াদি বৃদ্ধির ধীরগতি, সুরক্ষা কেন্দ্রীকরণ |
মুনাফার উপর চাপ আরও বাড়বে। চুক্তিভিত্তিক সার্ভিস মার্জিন (CSM) বৃদ্ধিও ধীর হবে, এবং প্রতিবেদনটি ভিন্ন insurers–দের পারফরম্যান্সে ফাঁক বাড়ার সতর্কতা দিচ্ছে। জীবনবীমার CSM ২০২৬ সালের পর স্থিতিশীল বা সামান্য হ্রাস পেতে পারে, অন্যদিকে অজীবনবীমার CSM ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাবে।
আর্থিক স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রেও চাপ বিরাজ করছে। K-ICS অনুপাতসহ অন্যান্য সলভেন্সি সূচক ২০২৫ সালের তুলনায় স্থিতিশীল বা সামান্য হ্রাস পেতে পারে। ফলে Tier 1 ক্যাপিটাল ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব বাড়ছে। insurers–দের মধ্যে কপিটাল পরিচালনা ও মান উন্নয়নের সক্ষমতায় ব্যবধান বাড়তে পারে, যা সমন্বিত কৌশল গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা জোরদার করছে।
প্রতিবেদনটি আরও তুলে ধরেছে যে, সরকারী নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য করা অপরিহার্য। এর মধ্যে রয়েছে কোর অপারেশনগুলোতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার বৃদ্ধি, ট্রানজিশন ও প্রোডাক্টিভ ফিনান্সে সক্রিয় অংশগ্রহণ, এবং বৃদ্ধশ্রেণীর জনসংখ্যা সম্পর্কিত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা।
ডিজিটাল রূপান্তর, সম্পদ–দায়িত্ব ব্যবস্থাপনা ও জলবায়ু ঝুঁকি, স্বাস্থ্যসেবা এবং দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ ভিত্তিক উদ্ভাবনী পণ্য উন্নয়নের মাধ্যমে insurers–রা সীমিত পরিবেশেও স্থায়ী ও দীর্ঘমেয়াদি বৃদ্ধি অর্জন করতে পারে।
