আজকের আলোচনার বিষয় “ক্ষতিপূরণ বা বীমাদাবী পরিসীমা ” যা সামাজিক ও অন্যান্য ধরনের বীমাসমূহ অধ্যায়ের অন্তর্ভুক্ত। বীমা হলো একটি চুক্তি। ইহা দুই পক্ষের মধ্যে একটি আইন সম্মত চুক্তি। এক পক্ষ অন্য পক্ষকে ক্ষতিপূরণ দিবে বলে নিশ্চয়তা দিয়ে চুক্তিতে আবদ্ধ হয়। অন্যপক্ষ ক্ষতিপূরণ পাওয়ার জন্য নির্দিষ্ট হারে প্রিমিয়াম প্রদানের নিশ্চয়তা দিয়ে চুক্তিতে আবদ্ধ হয়। প্রথম পক্ষ বীমাকারী এবং দ্বিতীয় পক্ষ বীমাগ্রহীতার মধ্যে যথাক্রমে ক্ষতিপূরণ প্রদান এবং প্রিমিয়াম প্রদানের নিশ্চয়তা সম্বলিত একটি চুক্তি। এই চুক্তির শর্ত পুরন বা ক্ষতিপূরণ বা বীমাদাবী পরিসীমা নিয়ে আজকের আলোচনা।
ক্ষতিপূরণ বা বীমাদাবী পরিসীমা

ব্যক্তিগত দুর্ঘটনা বীমার ক্ষেত্রে দুর্ঘটনার কারণে মৃত্যু হলে অথবা অক্ষমতা দেখা দিলে তার জন্যে সুনির্দিষ্ট নিয়মে ক্ষতিপুরণ বা দায় পরিশোধ করা হয়ে থাকে। কোন অবস্থায় কত পরিমাণ ক্ষতিপূরণ প্রদান করা হবে, তার অঙ্ক পূর্ব-নির্ধারিত বাকে যা বীমাদাবী বা দায় পরিসীমা (Coverage) নামে অভিহিত। নিম্নে সংক্ষেপে তা বর্ণিত হলো :
১। মৃত্যু,
২। কন্দী বা গোঁড়ালী থেকে অথবা তার উপর থেকে—
(ক) উভয় হাত অথবা পা অথবা এক হাত এবং পা বিচ্ছিন্ন হলে
(খ) উভয় চোখের সম্পূর্ণ দৃষ্টিশক্তি হারালে বা আরোগ্যাতীতভাবে নষ্ট হলেএবং
(গ) একটি সংযোগ নষ্ট হলে ও এক চোখের সম্পূর্ণ দৃষ্টিশক্তি হারালে—
বীমাকৃত অর্থ সম্পূর্ণটাই বীমাগ্রহীতা বা তার প্রতিনিধি পাবে।
(ঘ) একটি সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলে অথবা একটি চোখের দৃষ্টিশক্তি সম্পূর্ণভাবে হারালে বা আরোগ্যাতীতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলে বীমাকৃত অর্থের অর্ধাংশ বা ৫০% হারে পাবেন।
৩। সাময়িক সম্পূর্ণ শারিরীক অক্ষমতার জন্যে বীমাকৃত অর্থের ৩৩% ভাগ অথবা সপ্তাহে অনুর্ধ মোট ৫০০/- টাকা বীমাদাবী পাবেন।

